যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ অপর শিক্ষার্থীও হত্যার শিকার

জিনিউজবিডি২৪ ডেস্ক ঃ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৪৫ অপরাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ অপর শিক্ষার্থীও হত্যার শিকার

যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টিও হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাঁর ভাই জাহিদ হাসান প্রান্ত। যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টিও হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাঁর ভাই জাহিদ হাসান প্রান্ত।

আজ শনিবার এক ফেসবুক পোস্টে প্রান্ত তাঁর বোনের মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করে একটি পোস্ট দেন। গতকাল স্থানীয় সময় শুক্রবার ফ্লোরিডার ট্যাম্পা শহরের হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজ এলাকা থেকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল লিমনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় হিশাম আবুঘারবিয়েহ নামের লিমনের এক রুমমেটকে আটক করেছে দেশটির স্থানীয় পুলিশ। একই ঘটনায় এখনও নিখোঁজ রয়েছেন আরেক শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টি।মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার ওই দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী পিএইচডি করছেন। হিলসবরো কাউন্টির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এক সংবাদ সম্মেলনে জামিল লিমনের মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

ট্যাম্পা বে-এর ওপর অবস্থিত হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কলিন ব্রিজ থেকে শুক্রবার সকালে জামিল লিমনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে তাঁর মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি। বিষয়টি নিশ্চিত করতে মরদেহের ময়নাতদন্ত চলছে।বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আটক হিশাম আবুঘারবিয়েহ পূর্বে ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় (ইউএসএফ) পড়াশোনা করতেন। তবে আটকের সময় তিনি সেখানে ভর্তি ছিলেন না বলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এক মুখপাত্র জানান, হিশাম আবুঘারবিয়েহ ২০২১ সালের স্প্রিং সেমিস্টার থেকে ২০২৩ সালের স্প্রিং পর্যন্ত ইউএসএফ-এ অধ্যয়ন করেন এবং ম্যানেজমেন্টে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের চেষ্টা করছিলেন।হিলসবরো কাউন্টির আদালতের নথিতে আরও দেখা যায়, ২০২৩ সালে তার এক পরিবারের সদস্য তার বিরুদ্ধে দুটি পারিবারিক সহিংসতা অভিযোগ করেন। এর মধ্যে একটি মামলায় বিচারক নিষেধাজ্ঞা জারি করেন এবং অন্যটি খারিজ করে দেন।

এছাড়া তার বিরুদ্ধে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনাও নথিভুক্ত রয়েছে।গত ১৬ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে নিখোঁজ হন লিমন ও বৃষ্টি। লিমনকে সর্বশেষ তার আবাসিক অ্যাপার্টমেন্টে দেখা যায়। আর বৃষ্টিকে এক ঘণ্টা পর ক্যাম্পাসের একটি বিজ্ঞান ভবনে শেষবার দেখা যায়। ১৭ এপ্রিল (শুক্রবার) এক পারিবারিক বন্ধু তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশকে জানান। এরপরই শুরু হয় অনুসন্ধান অভিযান।

Ads