বসছেন মার্কিন ও চীনা প্রেসিডেন্ট, আলোচনা হবে ইরান যুদ্ধ নিয়েও

জিনিউজবিডি২৪ ডেস্ক ঃ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ১০:৪০ পূর্বাহ্ণ
বসছেন মার্কিন ও চীনা প্রেসিডেন্ট, আলোচনা হবে ইরান যুদ্ধ নিয়েও

বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতির এক সংকটময় মুহূর্তে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন মার্কিন ও চীনা প্রেসিডেন্ট। যেখানে ডোনাল্ড ট্রাম্প গুরুত্ব দেবেন- বাণিজ্য, ইরান যুদ্ধ ও তাইওয়ান ইস্যুতে। অন্যদিকে, স্থিতিশীলতা ও মর্যাদার ওপর গুরুত্ব দেবেন শি জিনপিং।

কারণ, দায়িত্বশীল বৈশ্বিক শক্তি হিসেবে চীনের মর্যাদাকে আরও শক্তিশালী করতে চান তিনি, বলছেন বিশ্লেষকরা।রয়টার্স জানিয়েছে এসব খবর। প্রতিবেদন বলছে, দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম বেইজিং সফরে যাচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৈঠক করবেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে। ১৪ ও ১৫ মে এই বৈঠক হওয়ার কথা।

বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিশ্ব রাজনীতি এবং অর্থনীতির এক সংকটময় মুহূর্তে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রায়ই শি জিনপিংকে ঘনিষ্ঠ বন্ধু অভিহিত করলেও এই বৈঠককে দুই দেশের উত্তেজনা কমানোর উপায় বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক আলেহান্দ্রো রিয়েস বলেন, বৈঠকে ট্রাম্প অবশ্যই নির্ভার থাকবেন। আর রাষ্ট্রীয় সফর হওয়ায় তাকে সেভাবেই সংবর্ধনা দেবেন শি জিনপিং। তবে, বৈঠকটি প্রকৃত অর্থে ঝুঁকি কমানোর চেষ্টা। কারণ, এই আলোচনা কেবল বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিই নয়, বিশ্ব অর্থনীতির ক্ষেত্রেও এক গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

রয়টার্স বলছে, ট্রাম্পের অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে তিনটি টি- ট্রেড বা বাণিজ্য, তেহরান ও তাইওয়ান।

আলেহান্দ্রো রিয়েস বলেন, বাণিজ্যের ক্ষেত্রে আমার মনে হয়, ট্রাম্প চাইবেন চীন যেন আরও বেশি মার্কিন পণ্য কেনে। বিমান ক্রয়ের বিষয়ে একটি চুক্তি নিয়েও কাজ চলছে। এছাড়া, ইরান নিয়েও কথা বলবেন তারা। পর্দার আড়ালে চীন যা করছে তার চেয়ে আরও বেশি কিছু করতে রাজি করাতে চাইবেন ট্রাম্প। যেন তেহরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করে যুদ্ধের সমাধান করা যায়।

আর বেইজিংয়ের দৃষ্টিকোণ থেকে, তাইওয়ানের বিষয়ে জিনপিংয়ের উদ্দেশ্য তিনটি এস’র ওপর কেন্দ্রীভূত। স্ট্যাবিলিটি বা স্থিতিশীলতা, স্ট্যাটাস বা মর্যাদা এবং সেন্স বা বিচক্ষণতা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর স্থিতিশীলতা চায় চীন। কারণ সেখানকার সংঘাত সরাসরি দেশটির জ্বালানি নিরাপত্তাকে প্রভাবিত করে। এছাড়া, শি জিনপিং দায়িত্বশীল বৈশ্বিক শক্তি হিসেবে চীনের মর্যাদাকে আরও শক্তিশালী করতে চাইছেন বলেও মত তাদের।

Ads