তানোরে ছাত্র শিবিরের বৃক্ষরোপন ও চারা বিতরণ

আব্দুস সবুর, তানোর প্রতিনিধি (রাজশাহী) ঃ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ণ
তানোরে ছাত্র শিবিরের বৃক্ষরোপন ও চারা বিতরণ

একটি হলেও বৃক্ষরোপণ করবো জনে জনে, সবুজ দেশের সুস্থ বাতাস লাগুক সবার প্রাণে, এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির রাজশাহী জেলা পশ্চিমের উদ্যোগে তানোরে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত হয় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবুর রহমান। এ সময় তিনি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ব্যাপক বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন,বৃক্ষ শুধু পরিবেশের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে না, বরং মানুষের বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য অক্সিজেন সরবরাহ করে। বর্তমান সময়ে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পৃথিবী নানা ধরনের পরিবেশগত সংকটের মুখোমুখি। এ সংকট মোকাবিলায় প্রত্যেক নাগরিককে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন,তরুণদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা তৈরিতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ছাত্রশিবিরের এই কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মাঝে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অতিথি হিসেবে ছিলেন জেলা নায়েবে আমীর মইনুল ইসলাম, জেলা শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ড ওবায়দুল্লাহ, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জামায়াত নেতা আব্দুর রহিম প্রমুখ।

পাশাপাশি উপস্থিত শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাধারণ জনগণকে নিজ নিজ বাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং খালি জায়গায় গাছ লাগানোর আহ্বান জানানো হয়।

বক্তারা বলেন, পরিবেশ রক্ষা ও সবুজ বাংলাদেশ বিনির্মাণে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। একটি গাছ একটি প্রাণের সমান। তাই দেশের প্রতিটি মানুষ যদি বছরে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও পরিচর্যা করেন, তাহলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

পরে অতিথিবৃন্দ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন এবং অংশগ্রহণকারীদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে ছাত্রশিবিরের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

Ads