কাঁপছে সিরাজগঞ্জের যমুনা পারের মানুষ

বিশেষ প্রতিনিধি সিরাজগঞ্জ ঃ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ২:৪০ অপরাহ্ণ
কাঁপছে সিরাজগঞ্জের যমুনা পারের মানুষ

মৌসুমের সর্বনিম্ন ১০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় কাঁপছে সিরাজগঞ্জের যমুনা পারের মানুষ। প্রচণ্ড শীতের সঙ্গে ঘণ কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় নাকাল হয়ে পড়েছে যমুনা নদীর চরাঞ্চলের মানুষগুলো। হাসপাতালগুলোতে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়াসহ শীতজনিতরোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে।

শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর গড়িয়ে পড়লেও দেখা মেলেনি সূর্যের। ঘণ কুয়াশার চাদরে ঢাকা রয়েছে সিরাজগঞ্জ শহরসহ জেলার সকল প্রত্যন্ত অঞ্চল।

এদিকে স্থানীয় আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার বাঘাবাড়িতে। অপরদিকে তাড়াশে রেকর্ড হয়েছে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা। এটিও ওই অঞ্চলে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

প্রচণ্ড শীতে নিম্ন আয়ের শ্রমজীবি মানুষগুলো পড়েছে বিপাকে। তারা স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে না পারায় কমে গেছে আয়।

এদিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে হতদরিদ্র শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগণ দুঃস্থদের বাড়ি বাড়ি সশরীরে উপস্থিত হয়ে শীতবস্ত্র তুলে দিচ্ছেন।

বাঘাবাড়ি আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল জানান, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলিসিয়াস। যা চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন। ১০ এর নীচে নামলেই মাঝারি শৈত প্রবাহ ধরা হবে।

অপরদিকে তাড়াশ কৃষি আবহওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, কুয়াশার সঙ্গে উত্তরীয় বাতাস বইছে। যে কারণে শীতের তীব্রতা বেশি। সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি তাড়াশে চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের তত্ববধায়ক ডা. আকিকুন নাহার বলেন, প্রচন্ড শীতে শিশু ও বয়স্ক মানুষ নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া জ্বরসহ বিভিন্ন ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতলে ভর্তি হচ্ছেন। দিন দিন রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে।

Ads