সুন্দরগঞ্জে তিস্তার কড়ালগ্রাসে শতাধিক ঘরবাড়ি নিশ্চিহ্ন

একেএম শামছুল হক, সুন্দরগঞ্জ প্রতিনিধি(গাইবান্ধা)ঃ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২৪ অপরাহ্ণ
সুন্দরগঞ্জে তিস্তার কড়ালগ্রাসে শতাধিক ঘরবাড়ি নিশ্চিহ্ন

তিস্তা নদীর ভয়াবহ ভাঙনও কড়াল গ্রাসে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের সিংগীজানী ও ভোরের পাখি এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রাতের আকস্মিক ভাঙনে প্রায় ২শতাধিক বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ঘরবাড়ি হারিয়ে অনেক পরিবার এখন চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য, হঠাৎ করে নদীর স্রোত ও ভাঙনের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই প্রয়োজনীয় মালামাল সরিয়ে নেওয়ারও সুযোগ পাননি। চোখের সামনে বসতভিটা নদীতে বিলীন হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে দেখা দিয়েছে আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা।

ভাঙনের খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইফফাত জাহান তুলি। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তাদের পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নেন এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দেন।

এদিকে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোঃ মাহমুদুল ইসলাম প্রামানিক। এ সময় কাপাসিয়া ইউনিয়ন বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনকালে ক্ষতিগ্রস্তদের তাৎক্ষণিক সহযোগিতা এবং গৃহহীন পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। স্থানীয়রা তিস্তার ভাঙন ঠেকাতে দ্রুত স্থায়ী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

তাদের আশঙ্কা, ভাঙন অব্যাহত থাকলে অল্প সময়ের মধ্যেই আরও বসতভিটা, ফসলি জমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে চলে যেতে পারে।তিস্তাপাড়ের ভাঙ্গন ও দূর্দশা লাঘব করতে চাই দ্রুত তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়ন। এটা যেন তিস্তাপাড়ের মানুষের বাচাঁর দাবী।

Ads